Uncategorized

আমার প্রিয় ১৬৮ কাশীপুর বেলগাছিয়ার সকল বাসিন্দা, সহযোদ্ধা ও শুভানুধ্যায়ীরা

এই গত ৪০ দিনের পথচলার শেষে দাঁড়িয়ে আমি একটাই কথা বলতে চাই—আমি আপ্লুত, কৃতজ্ঞ, আর আপনাদের ভালোবাসায় ঋণী।

 

এই লড়াইটা কোনোদিনই একার ছিল না, এটা আমাদের সবার লড়াই।

 

আমাদের প্রতিটি কর্মী—যারা দিনের পর দিন, রোদ-বৃষ্টি মাথায় নিয়ে, নিরলসভাবে মানুষের কাছে পৌঁছে গিয়েছেন, কথা বলেছেন, বোঝানোর চেষ্টা করেছেন—আপনারাই এই লড়াইয়ের আসল মুখ। আপনাদের নিষ্ঠা আর বিশ্বাসই আমাকে এগিয়ে নিয়ে গেছে প্রতিটি দিনে।

 

আমাদের শ্রদ্ধেয় নেতৃত্ব—নিতিন নবীন জী , সমীক ভট্টাচাৰ্য দা, সুনীল বাঁশল জী , ভুপিন্দের যাদব , মিঠুন চক্রবর্তী দা, শঙ্কর রাজ পুরোহিত , রাহুল সিনহা দা —আপনাদের দিকনির্দেশ, ভরসা আর পাশে থাকার শক্তিটা না থাকলে এই পথ এতটা দূর আসা সম্ভব হত না।

 

আমার সহযোদ্ধা ও সহকর্মীরা—লকেট চ্যাটার্জী , মনোজ তিওয়ারি , মাইথিলী ঠাকুর ও অভয়ার মা-বাবা—আপনাদের উপস্থিতি, আপনাদের সমর্থন এই পুরো পথচলাকে আরও শক্তিশালী করেছে।

 

বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানাতে চাই Dr. নারায়ণ ব্যানার্জী -কে—আপনার আন্তরিকতা ও নিরন্তর সহযোগিতা আমার জন্য বড় ভরসা ছিল।

 

আর শেষে, আমার নিজের এলাকার মানুষ—কাশীপুর বেলগাছিয়ার প্রতিটি পরিবার—আপনারা যেভাবে আমাকে আপনাদের ঘরে ঢুকতে দিয়েছেন, কথা বলেছেন, আশীর্বাদ করেছেন, কোথাও কোথাও প্রশ্নও তুলেছেন—সবটাই আমি সসম্মানে গ্রহণ করেছি। আপনাদের এই ভালোবাসা আর বিশ্বাসই আমার সবচেয়ে বড় শক্তি।

 

এই ৪০ দিন শুধু প্রচার ছিল না—এটা ছিল সম্পর্ক গড়ার সময়, একে অপরকে জানার সময়, আর একসাথে একটা ভালো আগামী কল্পনা করার সময়।

 

ফলাফল যাই হোক, আপনাদের সঙ্গে এই সম্পর্ক, এই ভালোবাসা—এটাই আমার সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।

 

অশেষ কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা সহ,

 

শ্রী রিতেশ তিওয়ারি

১৬৮ কাশীপুর বেলগাছিয়া

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
error: Content is protected !!