Uncategorized

চেতলা কালীমন্দিরে মা কালীকে শিকলে বেঁধে রাখা হয়, কিন্তু কেন? 

গায়ে কাঁটা দেবে আপনার, লোকবিশ্বাস বলে, এখানকার মা কালী খুবই চঞ্চল। দেবী নাকি চলাফেরা করে বেড়াতেন। তাই এ মন্দিরে মা কালীকে মোটা লোহার শিকলে বেঁধে রাখা হয়।

 

বাংলা জুড়ে ডাকাতদল আর তাদের কালীপুজোর গল্প নেহাত কম নেই! এমন ডাকাত কালীপুজোর প্রচলন আছে গ্রাম বাংলা এবং শহর জুড়ে। অজস্র পুরনো গল্প থেকে জানা যায়, ডাকাতদের একমাত্র পূজিত দেবী ছিলেন কালী। সেই সব কুখ্যাত ডাকাতদের কালীপুজো কিন্তু আজও হয়ে আসছে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায়। সে রকমই এক কালীর পুজো হয় খাস কলকাতা শহরের বুকেই। জানতেন?

 

দক্ষিণ কলকাতার চেতলায় হয় এমনই একটি পুজো। শোনা যায়, তার সঙ্গে জড়িয়ে আছে তারকেশ্বরের দুই কুখ্যাত ডাকাত নীলু ও ভুলুর নাম। তবে যে বিষয়টি সব মানুষকে অবাক করে, তা হল চেতলা বাজার সংলগ্ন এই কালী মন্দিরের সুউচ্চ কালী প্রতিমা বাঁধা থাকেন লোহার শিকল দিয়ে। এই মন্দির কবে ও কার হাতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, সে ধারণা কারও কাছেই আজ পর্যন্ত স্পষ্ট নয়। তবে যেহেতু মন্দিরটির নাম ডাকাত কালী মন্দির, তাই অনুমান করা হয়, কোনও ডাকাতই এর প্রতিষ্ঠা করেছিল। লোকবিশ্বাস বলে, এখানকার মা কালী খুবই চঞ্চল। দেবী নাকি চলাফেরা করে বেড়াতেন। তাই এ মন্দিরে মা কালীকে মোটা লোহার শিকলে বেঁধে রাখা হয়। আর দেবীকে নাকি এ ভাবে বেঁধে রেখেছিলেন ডাকাতরাই।

 

অনেকে বলেন, এখানে নাকি নীলু ও ভুলু নামে দুই ডাকাত ছিল। কোনও এক কালে সারদা দেবী যখন তারকেশ্বরের পথে যাত্রা করছিলেন, তখন তাঁকে অপহরণ করে এখানে এনে বন্দি করে রেখেছিলেন। তার পরেই নাকি সারদা দেবীর মধ্যে তাঁরা মা কালীর দেখা পান। অভিভূত ডাকাতেরা সারদা দেবীকে ছেড়ে দেন তখনই। সেই থেকেই বিশ্বাস, এই মন্দিরের সঙ্গে সারদা দেবীর একটি যোগসূত্র আছে।

 

কী ভাবে পৌঁছবেন?

 

দক্ষিণ কলকাতায় ১৯ নম্বর চেতলা হাটে এই মন্দির। মেট্রোয় কালীঘাটে নেমে অটোয় যেতে পারেন। কিংবা গড়িয়াগামী যে কোনও বাসে রাসবিহারীতে নেমে অটোয় পৌঁছে যেতে পারেন এই মন্দিরে।

 

💫 অনলাইন ডিজিটাল প্লাটফর্ম :- টিম মাতৃশক্তি। MATRI SOKTI

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
error: Content is protected !!